Budget Meeting_n

গত ১৩ ফ্রেব্রুয়ারী আইসিটি ডিভিশনে আইটিইস এসোসিয়েশন সমূহের এক যৌথ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আগামী বাজেটে সংযুক্ত করার জন্য ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে কয়েকদভা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এবং এগুলোর স্বপক্ষে ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়। ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য তুলে ধরেন ই-ক্যাবের ফিন্যান্স সেক্রেটারী মোহাম্মদ আবদুল হক অনু এবং চীফ অপারেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম শোভন।

উক্ত সভায় বেসিস, আইএসপিএবি, বাকো এবং কম্পিউটার সমিতির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

ই-ক্যাবের প্রস্তাবনাসমূহ নিন্মরুপ।

ইন্টারনেট নির্ভর বা প্রযুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল সেবা হিসেবে  ‘ই-কমার্স ও অনলাইন শপিং’ কে  ITES -এর পরিবর্তে পৃথক ব্যবসায়ী খাত হিসেবে গণনা করে ‘ই-কমার্স ও অনলাইন শপিং’ হতে অর্জিত আয় করযোগ্য আইনের বহির্ভুত করার প্রস্তাব করছি।  ব্যবসায়ের ডিজিটাল রূপান্তরকে এগিয়ে নিতে বিদ্যমান আইনটি সংশোধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।

“অনলাইন পণ্য বিক্রয়” কোম্পানি হিসাবে ভ্যাট নিবন্ধন করা হলে অফিস/বাড়ি ভাডার উপর কোন ভ্যাট প্রযোজ্য হবেনা।

সরকারের দেয়া, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফটওয়্যার ও আইটি সেবা খাতের সাথে ই-কমার্স ব্যবসায়ী  ও ই-ক্যাব সদস্য   কোম্পানিসমূহকে রপ্তানিতে উৎসাহিত করতে অত্যন্ত জরুরি। রপ্তানি বাণিজ্যে ১০ শতাংশ প্রণোদনা  ই-কমার্স সেক্টরে প্রয়োগের বিনীত অনুরোধ করছি।  সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সুবিধার্থে এখানে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) কে সম্পৃক্ত  করার অনুরোধ করছি।

ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে ক্ষতির মধ্যে থাকা প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য সর্বনিম্ন কর প্রযোজ্য না করার জন্য প্রস্তাব করছি। একটি কোম্পানী সর্বনিম্ন লাভ করার পর তার উপর ন্যূনতম করের বিধান প্রযোজ্য হবে।

ই-কমার্স উদোক্তারা প্রথম কয়েক বছরে মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না। ন্যূনতম ট্যাক্স প্রত্যাহার করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাবার জন্য উৎসাহ দিতে হবে।

দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিযোগিতা মূলক বাজারে টিকিয়ে রাখতে বিনিয়োগ বান্ধব নীতিমালা বাস্তবায়নের প্রস্তাব করছি। ডিজিটাল প্রচারণার খরচ দেশীয় ও অনুমোদিত মাধ্যম দ্বারা পরিশোধ এবং ডাটা সেন্টার দেশেই স্থাপনের বাধ্যবাধকতা করা নির্দেশনা জারি জরুরী হয়ে পড়েছে।

বিশ্বের অনেক দেশ অনলাইনের মাধ্যমে তাদের পন্য বিদেশে বিক্রির জন্য বন্দর সমূহে আলাদা ওয়ার হাউজ চালু করেছে। ক্রস বার্ডার ই-কমার্স সুবিধা দিতে এই সুবিধা সময়ের দাবী।

যেসব ই-কমার্স কোম্পানী বিদেশী ও প্রবাসী ক্রেতার কাছে পন্য বিক্রি করে বা রেগুলার ই-কমার্স কোম্পানীসমূহ যেসব দেশীয় পন্য বিদেশী ক্রেতার কাছে বিক্রি করে সেগুলোর ক্ষেত্রে ক্যাশ ইনসেনটিভ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।