9

ই-কমার্স খাতের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ খাতের বিকাশে ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, গত কয়েক বছরে দেশের তরুণ উদ্যোক্তারা ই-কমার্স খাতে ব্যাপকভাবে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে পেমেন্ট সিস্টেম, লজিস্টিকস, ডেলিভারি এবং নিরাপত্তার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা উচিত।

যেহেতু বর্তমানে ই-কমার্স নীতিমালাটি খসড়া পর্যায়ে আছে, যা শিগগিরই সংসদে আলোচনার মাধ্যমে নীতিমালা এবং পরবর্তীতে বিধিমালা হিসেবে চূড়ান্ত হবে। তাই নীতিমালা চূড়ান্তকরণ পর্যায়ে এফবিসিসিআই এবং সংশ্লিষ্ট ঝুঁকিগ্রহীতাদের সঙ্গে আলোচনা করা দরকার বলে মত দেয় এফবিসিসিআই।

কর্মশালায় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন এফবিসিসিআইর পরিচালক এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) পরামর্শক শমী কায়সার। কর্মশালায় গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিক রিসার্চ প্ল ্যাটফর্মের প্রকল্প পরিচালক নুহিন খান।

এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হোসাইন জামিল এবং এফএনএফ কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. নাজমুল হোসেন কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের পরিচালকবৃন্দ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক, এসএমই ফাউন্ডেশন ও বেসিসসহ সংশ্লি ষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

কর্মশালার সমন্বয়ক শমী কায়সার বলেন, প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে ই-কমার্স খাত দেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক খাতের মতো ব্যাপক অবদান রাখতে সক্ষম। এক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং সম্ভাবনাময় বাজার চিহ্নিতকরণে গুরুত্ব দিতে হবে।

আগামীতে এফবিসিসিআই অধিভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনকেও ক্রমান্বয়ে ই-কমার্স বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।